🔎 GHUSH.NET • প্রকাশ্য অভিযোগ

বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোঃ সাইফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগসমূহ

Complaint ID: GH-20260918-05BB3E
● কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে🔍 under_review👁️ 58 বার দেখা
ঘটনার তারিখ18 Sep 2026
অভিযোগে উল্লিখিত ঘুষ৳ 10,000,000,000.00
স্থানউল্লেখ নেই
সংশ্লিষ্ট দপ্তরউল্লেখ নেই
প্রকাশের তারিখ18 Sep 2026
অভিযোগের ধরননিবন্ধিত অভিযোগ

📝 অভিযোগের বিবরণ

১. আর্থিক অনিয়ম ও আত্মসাৎ সমিতির বিভিন্ন প্রকল্প ও অনুদানের অর্থ আত্মসাৎ ও অপব্যবহার। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব অনুদান প্রাপ্ত হয় সেসব অনুদান ডাক্তার বিশ্বজিৎ ভৌমিক এবং ফিন্যান্স ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ মজুমদার এর সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছে, এদের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে শপদেবহাল রেখে দিনের পর দিন অর্থ আত্মসাৎ এবং পাচার করছে। ফিন্যান্স ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ মজুমদার তার ভাই বিকাশের মাধ্যমে ভারতে প্রতিনিয়ত অর্থ পাচার করে এই বিষয়ক মজুমদার বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে, এই ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসরকে মহাসচিব চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও সপদে বহাল রেখেছে। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির এ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট বলয় তৈরি করা হয়েছে ন্যাশনাল কাউন্সিলের নামে যার অধিকাংশ মেম্বার মহাসচিব সাইফুদ্দিন এবং সভাপতি আজাদ স্যারের সমন্বয়ে গঠিত দীর্ঘ 20 বছর এই সিন্ডিকেটের বাইরে কোন ব্যক্তি ভোটে দাঁড়াতে পারে না এবং যারা ভোটার তারা সভাপতি আদর ছাড় এবং মহাসচিব সাইফুদ্দিনের বাইরে কাউকে ভোট দেওয়ার সাহস রাখে না ভোটের আগের দিন ভোটারদেরকে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা সহ খাম ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং মহাসচিব সাইফুদ্দিন কে বহাল রাখার জন্য তাদেরকে নির্বাচিত করার জন্য নির্বাচনী কায়দায় নামমাত্র লোক দেখানো নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর এই মহাসচিব সাইফুদ্দিন কে নির্বাচিত মহাসচিব হিসেবে বহাল রেখেছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিবছর গরিব মানুষদের জন্য স্বাস্থ্য খাতের ভর্তুকি হিসেবে প্রায় 40 কোটি টাকা বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতিকে প্রদান করা হয় যেটা সম্পূর্ণভাবে গরিব মানুষদের ইনসুলিন এবং চিকিৎসার জন্য ব্যয় করার কথা অথচ বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি এই বেহুল অংকের অর্থ মনগড়া অডিট দেখিয়ে এই টাকা লোপাট করে যার ফলে দিন দিন বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির মাধ্যমে যে গরিব-দুঃখীদের চিকিৎসা অত্যন্ত সুলভ মূল্যে হওয়ার কথা ছিল নামমাত্র মূল্যে ইনসুলিন দেওয়ার কথা ছিল তা আর কোন ভাবেই দেওয়া হয় না সম্পূর্ণ টাকা মহাসচিব সাইফুদ্দিন গং এর দুর্নীতির মাধ্যমে লোপাট করা হয়। বাংলাদেশ ডায়বেটিক সমিতি novonordisk এর মাধ্যমে শর্ট ডেট এর ইনসুলিন ক্রয় করে বারডেমের মাধ্যমে বিক্রয় করে এবং সেই অর্থ বাংলাদেশ ডাইবেটিস সমিতির নিজস্ব ফান্ডে কালেকশন রাখে থটের ইনসুলিন নামমাত্র মূল্যে কিনে রোগীদের কাছে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে শতশত কোটি টাকা লোপাট করছে মহাসচিব সাইফুদ্দিন এবং ফিন্যান্স ডিটেক্টর বিশ্বজিৎ মজুমদার গং। যার ফলে দিন দিন ইনসুলিনের দাম বাড়ছে গরীব মানুষরা নামমাত্র মূল্যে যেখানে ইনসুলিন পাওয়ার কথা সেখানে উচ্চমূল্যে ইনসুলিন না দিতে পারার কারণে বহু সিরিয়াস ডাইবেটিস রোগী অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। বিদেশি দাতা সংস্থার অর্থের সঠিক হিসাব প্রদান না করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার। বাজেট বরাদ্দ থেকে বেআইনি কমিশন গ্রহণের অভিযোগ। ২. পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার মহাসচিবের পদ ব্যবহার করে BADAS এর অধীনে নিয়োগ, বদলি ও চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সমস্ত অঙ্গ সংগঠনে তার পারিবারিক রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। মহাসচিবের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার সাথে সাথে চাকরি থাকে না আর এই আদেশ বাস্তবায়নে মহাসচিব এর দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে এন এইচ এন এর আইডি হেড হিরন বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির সমস্ত অঙ্গ সংগঠন এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভিতরে গোয়েন্দা গিরি করে, যেকোনো একজন মসজিদের বিরুদ্ধে বা এনেছেন এর ডাক্তার সামাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই তৎক্ষণাৎ তার চাকরি চলে যায় যার প্রতিকার কেউ কোথাও পায় না। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও অনুগতদের পদায়ন। প্রভাব খাটিয়ে BADAS এর অধীনস্থ হাসপাতাল ও কলেজগুলিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ। ৩. দুর্নীতিগ্রস্ত সিন্ডিকেট গঠন ডা. এম. এ. সামাদ (CEO, NHN), পরিচালক অর্থ বিস্বজিৎ মজুমদার প্রমুখকে সাথে নিয়ে একটি দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট তৈরি। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের ওষুধ, সরঞ্জাম ও চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অতিরিক্ত দামে চুক্তি করে কমিশন গ্রহণ। মহাসচিব ইচ্ছাকৃতভাবে চিকিৎসা সেবার মান বর্তমানে তলানিতে নিয়ে গেছে এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি এর সকল প্রতিষ্ঠানকে দৃশ্যত এবং কাগজে-কলমে তিনগ্রস্ত দেউলিয়া প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে, ব্যাংক এবং অন্যান্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট বর্তমানে বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি প্রায় 300 কোটি টাকা দেনা দেয় গ্রস্ত অথচ এই মহাসচিব নিজেরা ব্যবহারের জন্য বেআইনিভাবে ৭০ লক্ষ টাকা দিয়ে বিলাসবহুল প্রাইভেট কার কিনে ব্যবহার করে, মহাসচিবের দ্বিতীয় স্ত্রী এন এইচ এন এর পাঁচটি গাড়ি নিজ প্রয়োজনে ২৪ ঘন্টা ব্যবহার করে, যেকোনো আর্থিক প্রয়োজন হলে মহাসচিব nhn এর ডাক্তার সামাদ এর মাধ্যমে টাকা দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছে প্রেরণ করে এবং সেটা পরবর্তীতে বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি এর মাধ্যমে এনেছেন কে ঋণ প্রদান করে সমন্বয় করে। ৪. প্রশাসনিক অনিয়ম BADAS এর গঠনতন্ত্র ও নিয়ম ভঙ্গ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ। ন্যাশনাল কাউন্সিল ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মতামত উপেক্ষা করে এককভাবে আর্থিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট রাখা এবং প্রকৃত ব্যয়ের হিসাব গোপন। ৫. নৈতিক অবক্ষয় ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি করে আর্থিক চাপ সৃষ্টি। সাধারণ সদস্য ও ডায়াবেটিক রোগীদের কল্যাণমূলক ফান্ড ব্যক্তিগত স্বার্থে অপচয়। বিদেশ ভ্রমণ, মিটিং ও সেমিনারে সমিতির অর্থ ব্যক্তিগত ভ্রমণ ব্যয়ে ব্যবহার। ৬: মহাসচিব সাইফুদ্দিন শেখ হেলালের ঘনিষ্ঠ বন্ধু,নিজ পদে গত ১৭ বছর নিজস্ব লোক দ্বারা স্বৈরাচার স্ট্যাইলে নির্বাচিত হয়েছেন,ন্যাশনাল কাউন্সিল এর সকল সদস্য স্বৈরাচার এর দোসর। ৭. মহাসচিব সাইফুদ্দিন তার দ্বিতীয় স্ত্রী এর ভাইয়ের ছেলে NHN এর আইটি হেড হিরন এর মাধ্যমে দুবাই এবং মালয়েশিয়া তে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেছে,হিরন এই চলতি বছর দুবাই,সিঙ্গাপুর,মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড,আমেরিকা , কানাডা, অস্ট্রেলিয়া তে ভ্রমণ করে মহাসচিব সাইফুদ্দিন এর আত্মসাৎ করা টাকা পাচার করেছে, মহাসচিব এর দ্বিতীয় স্ত্রী এর ছোট মেয়ের বিয়েতে NHN এর ডাঃ সামাদ, চেয়ারম্যান রেজওয়ান কবির শেখ হেলালের ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রায় 40 লাখ টাকার উপহার প্রদান করে যা পরবর্তীতে এনএইচএন এর তহবিল থেকে সমন্বয় দেখিয়ে বাংলাদেশ ডায়বেটিস সমিতির কাছ থেকে ঋণের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়, মহাসচিব সাইফুদ্দিন একজন স্পষ্ট নির্লজ্জ দুর্নীতিবাজ এবং দুশ্চরিত্রবান, ৯০ এর দশকে বরিশালে প্রশাসনে ক্ষমতায় থাকাকালীন আরেক সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রীকে মেয়ে সহ ভাগিয়ে নিয়ে এসে বিয়ে করেছেন এই স্ত্রীর বর্তমানে অবস্থিত সাম্রাজ্য চলছে, প্রফেসর একে আজাদ স্যারকে এবং তার পরিবারকে বিপদে ফেলার জন্য তার ছেলের পরিচালিত ফার্মেসি দীর্ঘ এক বছর বারডেমে পরিচালনা করতে না দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকা দেনা দায় করে দিয়েছে, এই ফার্মেসী বর্তমানে সুকৌশলে বাদেম আউটডোর ফার্মেসী নামে পরিচালিত শুরু হয়েছে অথচ এই ফার্মেসির নিকট অনেক ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির প্রায় 14 কোটি টাকা দেনাদায় রয়েছে, যা সমন্বয় করার জন্য মহাসচিব একপ্রকার বাধা প্রদান করে এই ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির সকল ম্যানেজার এবং প্রতিনিধি যাদের মাধ্যমে ওষুধ ফার্মেসিতে সরবরাহ করা হয়েছিল কোম্পানি থেকে তারা সবাই এখন টাকা অনাদায়ী হওয়ার কারণে কোম্পানি হতে চাকরি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে,হিরন দীর্ঘ ১৭ বছর মহাসচিব এর ক্ষমতার মাধ্যমে ঢাকা তে প্রায় ৫০ কোটি টাকার জায়গা কিনেছে। ৮. মহাসচিবের দুর্নীতির অন্যতম সহযোগীর nhn এর সিইও ডাক্তার সামাদ শিক্ষাগত যোগ্যতায় মাত্র এমবিবিএস ডিগ্রিধারী,অফিসিয়ালি সাড়ে চার লক্ষ টাকা বেতন পায় যা বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি এর মত একটা দাতব্য প্রতিষ্ঠানে এবং সারা বাংলাদেশ এ সরকারি বেতন কাঠামোতে বাংলাদেশ সরকারের প্রেসিডেন্ট ও পায়না
ℹ️ স্বচ্ছতার নোট: এই পেজে প্রকাশিত তথ্য অভিযোগ ও প্রকাশযোগ্য রেকর্ডের ভিত্তিতে দেখানো হয়েছে। “অভিযোগে উল্লিখিত ঘুষ” প্রমাণিত ঘুষের পরিমাণ বোঝায় না। কর্তৃপক্ষের জবাব ও পরবর্তী ব্যবস্থা পাওয়া গেলে তা প্রকাশযোগ্য হিসেবে যুক্ত হতে পারে।